ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) কে জিজ্ঞাসা করা হয় —
“ আমরা কতটুকু ‘কুরআন’ পাঠ করবো? ”
ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, ❝ তুমি জীবনে যতটুকু সুখ ও আনন্দ লাভ করতে চাও ততটুকু পাঠ করো।❞
সুতরাং, কোনো ব্যাক্তি জীবনে সীমাহীন সুখ ও আনন্দ লাভ করতে চায় তাহলে তার সীমাহীনভাবে কুরআন পাঠ করা উচিত)
আল-কুরআন আরবী ভাষায় নাযিলকৃত। অধিকাংশ বাংলাভাষীর পক্ষে বাংলা অনুবাদ ছাড়া কুরআন বুঝার উপায় নেই। এ পর্যন্ত বহু আলিম এ গ্রন্থটির বঙ্গানুবাদ করলেও তাঁরা অনেকেই উচ্চাঙ্গের ভাষা ব্যবহার করেছেন। ফলে স্বল্প শিক্ষিত এ বিশাল সমাজের নিকট এ মর্মার্থ যেমন রয়ে গেছে দুর্বোধ্য, তেমনি এর মর্মার্থ বোঝার ব্যাপারেও দেখা যায় উদাসীনতা। আল-কুরআনের অনুবাদকে সহজ সরল ভাষায় এবং সহীহ আক্বীদা অনুযায়ী অনুবাদের দিক দিয়ে তাওহীদ পাবলিকেশন্স প্রকাশিত “তাফসীর তাইসীরুল কুরআন” অনন্য। হাজারো সহীহ আক্বীদা ও মানহাজের অনুসারীগণ এই অনুবাদের উপর নির্ভর করে থাকেন।
আহমাদ আবদুল্লাহ –
সংক্ষিপ্ত তাফসীর থাকায় পড়ে খুব মজা পাওয়া যায়