নব্য জাহিলিয়াত
‘জাহেলী যুগ’ নামটা শুনলেই হ্নদয়টা আঁতকে উঠে। ভেসে উঠে পনেরোশো বছর আগের সে-ই ভয়াবহ চিত্র। মানুষ কতটা পাষাণ, নিষ্ঠুর হ্নদেয়র অধিকারী হলে নিজ হাতে নিজ কলিজার টুকরো সন্তানকে হত্যা করতে পারে! একটাবারের জন্যও মায়া মমতা বিবেকের দ্বারে কড়ানাড়া দিত না। বর্বরতা, হিংস্রতা, জুলুম, অবিচার, বেহায়াপনা, অশ্লীলতায় টইটম্বুর ছিল জাহেলী যুগের সমাজ। জাহেলী যুগের কাজকর্ম, রীতিনীতি হুবহু আমাদের বর্তমান যুগে হচ্ছে। বরং যদি বলি আমাদের বর্তমান যুগ জাহেলী যুগকে হার মানিয়েছে তাহলে অত্যুক্তি হবে না। জাহেলী যুগের মানুষের রীতিনীতি নতুন আঙ্গিকে, নতুন রঙে রঙিন হয়ে আমাদের সমাজে জেঁকে বসেছে। মানুষ জানেই না যে সে জাহেলী যুগের মানুষের মতো বর্বর হিংস্র আচরণ করছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত লোক হচ্ছে তিনজন। যে লোক হারাম শরীফে অন্যায় ও অপকর্মে লিপ্ত হয়। যে লোক ইসলামী যুগে জাহিলী যুগের রীতিনীতি অন্বেষণ করে। যে লোক ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া কারো রক্তপাত দাবি করে। (বুখারী, হা/৬৮৮২)
বক্ষমাণ বইয়ে প্রথমে আমরা জাহেলী যুগের রীতিনীতি, কাজ কর্ম তুলে ধরেছি। তারপর বর্তমান যুগের মানুষের রীতিনীতি যে হুবহু জাহেল.
Reviews
There are no reviews yet.